Skip to main content

Command Palette

Search for a command to run...

AWS Academy Cloud Foundations (Module 03)

AWS গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ক্লাউড সার্ভিস

Updated
•8 min read•View as Markdown
AWS Academy Cloud Foundations (Module 03)
R
Software Engineer @makTech

ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের দুনিয়ায় Amazon Web Services (AWS) বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় নাম। কিন্তু আপনি কি জানেন, পৃথিবীর কোন প্রান্তে বসে আপনার ডেটা প্রসেস হচ্ছে? কিংবা AWS-এর বিশাল সার্ভিস ভাণ্ডারে কী কী লুকিয়ে আছে?

আজকের এই ব্লগে আমরা "AWS Global Infrastructure Overview" নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। সম্পূর্ণ লেখাটি পড়লে AWS-এর বৈশ্বিক অবকাঠামো এবং এর অসংখ্য সার্ভিস সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা তৈরি হবে।

পর্ব ১: AWS Global Infrastructure (বৈশ্বিক অবকাঠামো)

AWS-এর ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন এটি খুব সহজে পরিবর্তনযোগ্য (Flexible), নির্ভরযোগ্য (Reliable), স্কেলেবল (Scalable) এবং নিরাপদ (Secure) হয়। এই বিশাল অবকাঠামোটি প্রধানত কয়েকটি স্তরে বিভক্ত:

১. AWS Regions (রিজিয়ন)

AWS Region হলো পৃথিবীর একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা (যেমন: লন্ডন, টোকিও, সিঙ্গাপুর কিংবা মুম্বাই)।

এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

  • প্রতিটি Region-এর ভেতরে দুই বা ততোধিক Availability Zones (AZ) থাকে।

  • একটি Region আরেকটি Region থেকে সম্পূর্ণ আলাদা (Isolated)। এর ফলে এক অঞ্চলে কোনো দুর্যোগ বা সমস্যা হলে অন্য অঞ্চলের কোনো ক্ষতি হয় না।

  • আপনার ডেটা এক Region থেকে অন্য Region-এ নিজে নিজে কপি (Replicate) হয় না। আপনার ব্যবসার প্রয়োজনে ডেটা অন্য Region-এ নিতে চাইলে তা আপনাকেই সেটআপ করতে হবে।

কীভাবে কাজের জন্য সঠিক Region নির্বাচন করবেন?

আপনি যখন AWS-এ কোনো সার্ভার বা সার্ভিস নিবেন, তখন কোন Region ব্যবহার করবেন তা ঠিক করতে ৪টি প্রধান বিষয় মাথায় রাখতে হয়:

  • ১. আইনি বাধ্যবাধকতা (Data governance & legal requirements): অনেক দেশের নিজস্ব আইন থাকে যে, তাদের নাগরিকদের ডেটা দেশের বাইরে রাখা যাবে না। সেক্ষেত্রে ওই নির্দিষ্ট দেশের Region ব্যবহার করতে হয়।

  • ২. গ্রাহকের দূরত্ব (Latency): আপনার অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের ইউজাররা যে দেশের, তার কাছাকাছি Region সিলেক্ট করলে ডেটা দ্রুত আদান-প্রদান হবে এবং ওয়েবসাইট ফাস্ট কাজ করবে।

  • ৩. সার্ভিসের প্রাপ্যতা (Services Available): AWS-এর সবগুলো সার্ভিস পৃথিবীর সব Region-এ পাওয়া যায় না। তাই আপনার প্রয়োজনীয় সার্ভিসটি আপনার পছন্দের Region-এ আছে কি না তা আগে দেখে নিতে হবে।

  • ৪. খরচ (Cost): স্থানভেদে বিভিন্ন Region-এ সার্ভিসের দাম বিভিন্ন রকম হয়। যেমন, আমেরিকায় (Ohio) একটি সার্ভার চালাতে যে খরচ হয়, জাপানে (Tokyo) একই সার্ভার চালাতে খরচ একটু বেশি হতে পারে।

২. Availability Zones (AZ)

আমরা আগেই জেনেছি প্রতিটি Region-এর ভেতর একাধিক Availability Zone বা সংক্ষেপে AZ থাকে। একটি AZ হলো ওই Region-এর ভেতরে একটি সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বাধীন অবকাঠামো।

মূল বৈশিষ্ট্য:

  • একটি Region-এর ভেতরের AZ-গুলো একে অপরের থেকে বেশ দূরে (সাধারণত কয়েক কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ১০০ কি.মি. দূরত্বে) অবস্থিত হয়।

  • কেন এত দূরে থাকে? এর মূল কারণ হলো দুর্যোগ থেকে রক্ষা পাওয়া (Fault isolation)। যদি একটি এলাকায় ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড় বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো কোনো দুর্যোগ হয়, তবে যেন অন্য AZ-টি সুরক্ষিত থাকে। AZ-গুলো নিজেদের মধ্যে অত্যন্ত উচ্চগতি সম্পন্ন (high-bandwidth) এবং লো-ল্যাটেন্সির প্রাইভেট ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক দিয়ে যুক্ত থাকে। ফলে এক AZ থেকে অন্য AZ-এ ডেটা খুব দ্রুত আদান-প্রদান হতে পারে।

AWS এর পরামর্শ: আপনার ওয়েবসাইট বা অ্যাপ যেন কখনোই বন্ধ না হয় (Highly Available থাকে), সেজন্য AWS পরামর্শ দেয় আপনার সার্ভার বা ডেটা শুধু একটি AZ-এ না রেখে একাধিক AZ-এ ছড়িয়ে রাখতে। এতে কোনো কারণে একটি AZ সম্পূর্ণ ডাউন হয়ে গেলেও, অন্যটি দিয়ে আপনার সার্ভিস নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে থাকবে।

৩. AWS Data Centers (ডেটা সেন্টার)

ডেটা সেন্টার হলো সেই মূল ফিজিক্যাল বিল্ডিং বা স্থাপনা, যেখানে সারি সারি সার্ভার (কম্পিউটার), হার্ডডিস্ক ও নেটওয়ার্কের যন্ত্রপাতি বসানো থাকে। একটি Availability Zone (AZ)-এর ভেতরে এক বা একাধিক ডেটা সেন্টার থাকতে পারে।

কিছু অবাক করা তথ্য:

  • একটি ডেটা সেন্টারে সাধারণত ৫০,০০০ থেকে ৮০,০০০ ফিজিক্যাল সার্ভার থাকে!

  • গ্রাহক হিসেবে আপনি সর্বোচ্চ কোন AZ ব্যবহার করবেন তা নির্বাচন করতে পারবেন, কিন্তু নির্দিষ্ট কোন 'ডেটা সেন্টার' ব্যবহার করবেন তা বেছে নেওয়ার সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ AWS নিজে নিয়ন্ত্রণ করে।

নিরাপত্তা: ডেটা সেন্টারগুলোর অবস্থান অত্যন্ত গোপনীয় রাখা হয়, এগুলো কোথায় তা পাবলিকলি প্রকাশ করা হয় না। সেখানে বাইরের কারও প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এছাড়া প্রতিটি ডেটা সেন্টারে বিকল্প বিদ্যুৎ (Redundant power) ও নেটওয়ার্কের ব্যবস্থা থাকে।

৪. Points of Presence (Edge Locations)

Region এবং Availability Zone (AZ) ছাড়াও AWS-এর বিশ্বজুড়ে আরও অসংখ্য ছোট ছোট ডেটা সেন্টার বা পয়েন্ট আছে, যেগুলোকে সামগ্রিকভাবে Points of Presence বা সংক্ষেপে Edge Location বলা হয়। এর কাজ কী? এর প্রধান কাজ হলো ইউজার বা গ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত দ্রুত ডেটা (যেমন: ভিডিও, ছবি, ওয়েবসাইট) পৌঁছে দেওয়া।

  • *Amazon CloudFront (CDN): এটি AWS-এর একটি সার্ভিস যা Edge Location ব্যবহার করে। ধরুন, আপনার ওয়েবসাইটের মূল সার্ভার আছে আমেরিকায়, কিন্তু একজন ভিজিটর বাংলাদেশ থেকে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করছেন। CloudFront তখন আমেরিকার সার্ভার থেকে ডেটা না এনে, আপনার কাছাকাছি কোনো Edge Location (যেমন: ভারত বা সিঙ্গাপুর) থেকে ওয়েবসাইটের কপিটি ভিজিটরের কাছে পাঠিয়ে দেবে। ফলে ওয়েবসাইট অনেক দ্রুত লোড হবে।

  • *Regional Edge Caches: যেসব ডেটা মানুষ খুব বেশি বা নিয়মিত ব্যবহার করে না, সেগুলো এই ক্যাশ (Cache) মেমোরিতে রাখা হয়, যেন মূল সার্ভার পর্যন্ত না গিয়েও ইউজারকে তুলনামূলক দ্রুত ডেটা দেওয়া যায়।

ইনফ্রাস্ট্রাকচারের মূল সুবিধা: এই বিশাল অবকাঠামোর কারণে আমরা পাই— Elasticity (প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষমতা কমানো বা বাড়ানো), Fault-tolerance (সিস্টেম ফেইলর হলেও কাজ চলতে থাকা) এবং High Availability (সর্বোচ্চ আপটাইম)।

পর্ব ২: AWS সার্ভিস এবং ক্যাটাগরি পরিচিতি

AWS-এর ২৩টিরও বেশি সার্ভিস ক্যাটাগরি রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেসিক বা ফাউন্ডেশন সার্ভিস হলো: Compute, Storage এবং Networking। চলুন সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যাটাগরিগুলো সম্পর্কে জেনে নিই:

১. Storage Services (স্টোরেজ)

  • Amazon S3 (Simple Storage Service): এটি যেকোনো ধরনের ফাইল (ছবি, ভিডিও, ডকুমেন্ট) অনলাইনে সেভ করে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত 'Object storage' বা ফাইল স্টোরেজ।

  • Amazon EBS (Elastic Block Store): এটি হলো ক্লাউডের ভার্চুয়াল হার্ডডিস্ক বা এসএসডি (Block storage)। ক্লাউডে যখন আপনি কোনো কম্পিউটার (সার্ভার) চালু করবেন, তখন তার সাথে সি-ড্রাইভ বা হার্ডডিস্ক হিসেবে এই EBS যুক্ত করতে হয়।

  • Amazon EFS (Elastic File System): একাধিক সার্ভার যদি একসাথে একই ফাইল বা ফোল্ডার শেয়ার করে ব্যবহার করতে চায়, তখন এটি ব্যবহৃত হয়।

  • Amazon S3 Glacier: এটি মূলত আর্কাইভিং বা দীর্ঘমেয়াদি ব্যাকআপের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অত্যন্ত সস্তা একটি স্টোরেজ, তবে এর একটি শর্ত হলো— এখান থেকে ডেটা ডাউনলোড বা ফেরত পেতে সাধারণ S3-এর চেয়ে কিছুটা বেশি সময় লাগে।

২. Compute Services (প্রসেসিং বা কম্পিউট)

  • Amazon EC2 (Elastic Compute Cloud): ক্লাউডে আপনি যদি আস্ত একটি কম্পিউটার বা সার্ভার (যাতে র‍্যাম, প্রসেসর, উইন্ডোজ বা লিনাক্স ওএস থাকবে) ভাড়া নিতে চান, তবে এই সার্ভিসটি ব্যবহার করতে হয়। এটি AWS-এর সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্ভিস।

  • AWS Lambda: এটি এমন একটি সার্ভিস যেখানে আপনাকে কোনো সার্ভার তৈরি বা ম্যানেজ করতে হবে না (যাকে Serverless বলা হয়)। শুধু আপনার কোডটি আপলোড করে দেবেন, আর আপনার কোড যখন রান হবে ঠিক ততটুকু সময়ের (মিলি-সেকেন্ড হিসেবে) জন্যই আপনাকে বিল দিতে হবে।

  • Amazon ECS / EKS / Fargate: এগুলো মূলত ডকার (Docker) এবং কন্টেইনার (Container) ভিত্তিক আধুনিক অ্যাপ ম্যানেজ করার সার্ভিস।

  • AWS Elastic Beanstalk: ডেভেলপাররা যারা সার্ভার কনফিগারেশনের ঝামেলায় না গিয়ে সরাসরি ওয়েবসাইট লাইভ বা ডিপ্লয় করতে চান, তাদের জন্য এটি দারুণ একটি অটোমেটেড টুল।

৩. Database Services (ডেটাবেস)

  • Amazon RDS: ক্লাউডে রিলেশনাল ডেটাবেস (যেমন: MySQL, PostgreSQL, Oracle) খুব সহজে সেটআপ এবং ম্যানেজ করার সার্ভিস।

  • Amazon Aurora: এটি AWS-এর নিজেদের তৈরি একটি স্পেশাল রিলেশনাল ডেটাবেস, যা সাধারণ ডেটাবেসের তুলনায় ৩ থেকে ৫ গুণ বেশি দ্রুত কাজ করে।

  • Amazon DynamoDB: এটি একটি NoSQL ডেটাবেস (যেমন- MongoDB এর মতো)। যেখানে চোখের পলকে (মিলি-সেকেন্ডের মধ্যে) বিপুল ডেটা প্রসেসিংয়ের প্রয়োজন হয়, সেখানে এটি ব্যবহৃত হয়।

  • Amazon Redshift: বিশাল পরিমাণ ডেটা (পেটাবাইট আকারের) অ্যানালাইসিস বা গবেষণা করার জন্য এই সার্ভিসটি (Data Warehouse) ব্যবহৃত হয়।

৪. Networking and Content Delivery (নেটওয়ার্কিং)

  • Amazon VPC (Virtual Private Cloud): এটি ক্লাউডের ভেতরে আপনার নিজস্ব একটি সম্পূর্ণ প্রাইভেট বা ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক তৈরি করে দেয়। আপনার সার্ভারগুলো এই প্রাইভেট নেটওয়ার্কের ভেতরেই নিরাপদে থাকে।

  • Elastic Load Balancing (ELB): আপনার ওয়েবসাইটে যদি হঠাৎ করে অনেক ভিজিটর আসে, তবে এই সার্ভিসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিজিটরদের লোড বা ট্রাফিককে একাধিক সার্ভারের মাঝে সমানভাবে ভাগ করে দেয়, যাতে কোনো একটি সার্ভার ক্র্যাশ না করে।

  • Amazon Route 53: এটি AWS-এর ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)। এটি ওয়েবসাইটের নামকে (যেমন: example.com) আইপি অ্যাড্রেসে (যেমন: 192.0.2.1) রূপান্তর করে।

  • Amazon CloudFront: এটি হলো গ্লোবাল CDN সার্ভিস (যা আমরা আগেই জেনেছি)। এটি বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের ইউজারের কাছে খুব দ্রুত ভিডিও, ছবি বা ওয়েবসাইটের ডেটা পৌঁছে দেয়।

৫. Security, Identity, and Compliance (নিরাপত্তা)

  • AWS IAM (Identity and Access Management): এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিকিউরিটি সার্ভিস। এর মাধ্যমে ক্লাউডে নতুন ইউজার তৈরি করা, গ্রুপ তৈরি করা এবং কে কোন সার্ভিস ব্যবহার করতে পারবে (Permissions) তা নির্ধারণ করা হয়।

  • Amazon Cognito: আপনার বানানো কোনো মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে ইউজারদের সাইন-আপ বা লগ-ইন করার সিস্টেম তৈরি করতে এটি ব্যবহার করা হয়।

  • AWS Shield: হ্যাকারদের করা ক্ষতিকর DDoS (Distributed Denial of Service) অ্যাটাক থেকে সার্ভারকে রক্ষা করতে এটি ব্যবহৃত হয়।

  • AWS KMS: ডেটা এনক্রিপ্ট (গোপন) করার জন্য এটি সিকিউরিটি কী (Key) তৈরি ও ম্যানেজ করে।

৬. Cost Management (খরচ ব্যবস্থাপনা)

  • *AWS Cost Explorer: এখানে চমৎকার গ্রাফ বা চার্টের মাধ্যমে আপনি দেখতে পারবেন কোন সার্ভিসের পেছনে আপনার কত টাকা খরচ হচ্ছে।

  • AWS Budgets: ধরুন আপনার মাসিক বাজেট ১০০ ডলার। বিল যদি ৮০ ডলার পার হয়ে যায়, তবে এটি আপনাকে ইমেইলে অ্যালার্ট বা সতর্কবার্তা পাঠিয়ে দেবে, যাতে লিমিট ক্রস না হয়।

৭. Management and Governance (ম্যানেজমেন্ট)

  • AWS Management Console & CLI: ব্রাউজার বা টার্মিনালের সাহায্যে AWS নিয়ন্ত্রণ করা।

  • Amazon CloudWatch: সার্ভার এবং অ্যাপ্লিকেশনের সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা।

  • AWS CloudTrail: কে, কখন অ্যাকাউন্টে লগইন করে কী পরিবর্তন করেছে তার অডিট লগ রাখা।

  • AWS Trusted Advisor: খরচ কমানো ও সিকিউরিটি বাড়ানোর জন্য এক্সপার্ট গাইডলাইন দেওয়া।

বোনাস টিপস: Global vs Regional সার্ভিস

AWS-এর কিছু সার্ভিস গ্লোবালি কাজ করে, আবার কিছু নির্দিষ্ট Region ভিত্তিক। যেমন:

  • Global Services: IAM, Amazon Route 53, CloudFront।

  • Regional Services: EC2, Lambda, Amazon VPC। (নোট: VPC তৈরি হয় Region লেভেলে, কিন্তু Subnet তৈরি হয় AZ লেভেলে)।

উপসংহার

AWS Global Infrastructure শুধু কতগুলো ডেটা সেন্টারের সমষ্টি নয়; এটি বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত, দ্রুতগামী এবং নির্ভরযোগ্য একটি নেটওয়ার্কিং ও কম্পিউটিং ইকোসিস্টেম। আশা করি, এই ব্লগের মাধ্যমে AWS-এর গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং সার্ভিসের মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা তৈরি হয়েছে।

AWS-এর যাত্রা আপনার জন্য আনন্দদায়ক হোক!

1 views